শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম এবং শবে মেরাজের ফজিলত

 শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম এবং শবে মেরাজের ফজিলত

শবে মেরাজের ফজিলত picture

রজব চাঁদের সাতাইশ তারিখ রাত্রি অর্থাৎ এই মাসের ছাব্বিশ তারিখ দিনগত রাত্রিতে ইশা ও বিতরের মধ্যবর্তী সময়ে ছয় সালামে বার রাকাত নফল নামাজ পড়িবে। তাহার নিয়ত নিম্নরূপ:


শবে মেরাজের নামাজের নিয়ত shab e meraj namaz niyat

নিয়ত


shab e meraj namaz niyat শবে মেরাজের নামাজের নিয়তের বাঃ উঃ- নাওয়াইতু আন্ উছাল্লিয়া লিল্লাহে তায়ালা রাকয়াতাই ছালাতি নাইলাতিল্ মি’রাজে মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শরীফাতে আল্লাহ আকবর।


পড়ুন শা’বান মাসের ফজিল,বরকত ও নামাজের নিয়ত

শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম । শবে মেরাজের নামাজের নিয়মাবলী

শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম এই নামাজের প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার সহিত যে কোন একটি সূরা পড়িবে। নামাজের পর একশত বার কলেমায়ে তমজীদ পড়িবে।


কলেমায়ে তমজীদ


বাঃ উঃ— লা-ইলাহা ইল্লা আন্তা নূরাইয়্যাহৃদিয়াল্লাহু লিনূরিহী মাইয়্যাশাউমুহাম্মাদুর রাছুলুল্লাহে ইমামুল মুরছালীনা খাতেমুন নাবিয়্যীন্।


অর্থঃ হে আল্লাহ্! তুমি ছাড়া অন্য কোন মা’বুদ নাই। তুমি আলো। আল্লাহ্ তায়ালা যাহাকে চাহেন তাঁহার নূরের দিকে হেদায়েত করেন। হযরত মুহাম্মদ মোস্তাফা ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম আল্লাহ্ তায়ালার রাছুল, রাছুলগণের ইমাম, নবীগণের সর্বশেষ শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম



আরো পড়ুন তাহাজ্জুত নামাজের নিয়ম, নিয়ত সম্পর্কে >>>



শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম

তারপর নীচের দোয়া তিনবার পড়িবে।

আস্তাগ্ ফিরুল্লাহা যাল্ জালালে ওয়াল্ ইক্রামে


বাঃ উঃ— আস্তাগ্ ফিরুল্লাহা যাল্ জালালে ওয়াল্ ইক্রমে মিনায্ যুনুবে ওয়াল্ আছাম্। অর্থঃ সম্মান ও মহত্বের অধিকারী আল্লাহ্ তায়ালার নিকট আমি গুনাহ্ ও অপরাধ সমূহ হইতে ক্ষমা চাহিতেছি। তারপর দুইশত বার দরূদ পড়িয়া সিজদায় গিয়া দুইশত বার নীচের দোয়াটি পড়িবে। শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম


দুইশত বার নীচের দোয়াটি পড়িবে

বাঃ উঃ— সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালাইকাতে ওয়াহ্। অর্থঃ আমাদের প্রভু এবং ফেরেশ্তাগণের ও রূহের (অর্থাৎ আত্মা বা জীবরীল আঃ) প্রভু অতি পবিত্র, পরম পবিত্র।

তৎপর যে দোয়া করিবে, আল্লাহ্ তায়ালার রহমতে তাহা কবুল হইবে

এইদিন গরীব, ফকীর ও মিছকীনকে পানাহার করাইবে।







শবে মেরাজের ফজিলত

একটি হাদিস শরিফ

শবে মেরাজের ফজিলত সম্পর্কে হযরত সালমান ফারছী রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আন্হু হইতে বর্ণিত আছে, রসূলে করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফরমাইয়াছেন—শবে মেরাজের ফজিলত রজবের মাসে এমন একটি দিন ও একটি রাত্রি আছে যদি কেহ ঐ দিন রোযা রাখে এবং ঐ রাত্রিতে ইবাদত করে, তাহা হইলে তাহার এই পরিমাণ ছওয়াব হইবে যে, সে যেন একশত বৎসর রোযা রাখিল এবং একশত রাত্রি ইবাদত করিল। অর্থাৎ ঐ রাত্রি রজবের ছাব্বিশ তারিখ দিনগত রাত্রি এবং ঐ দিন রজবের সাতাইশ তারিখের দিন।


একটি গুরুত্বপূর্ন শবে মেরাজের রোজা হাদিস থেকে


শবে মেরাজের ফজিলত ও শবে মেরাজের রোজা রসূলে করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফরমাইয়াছেন— রজবের মাসে এমন একটি দিন ও একটি রাত্রি আছে যদি কেহ ঐ দিন রোযা রাখে এবং ঐ রাত্রিতে ইবাদত করে, তাহা হইলে তাহার এই পরিমাণ ছওয়াব হইবে যে, সে যেন একশত বৎসর রোযা রাখিল এবং একশত রাত্রি ইবাদত করিল।শবে মেরাজের ফজিলত অর্থাৎ ঐ রাত্রি রজবের ছাব্বিশ তারিখ দিনগত রাত্রি এবং ঐ দিন রজবের সাতাইশ তারিখের দিন


আরো পড়ুন শবে মেরাজের আমল সম্পর্কে।

tags:আমল,ইসলাম,

ভিন্ন টপিক—

Leave a Comment

Your email address will not be published.